Showing posts with label প্রেম. Show all posts
Showing posts with label প্রেম. Show all posts

মৌসুমী~৫

মাঝে মাঝে মনে হয়
তুমিই আমার সব
আমাকে এত বোঝো
এত মিস করো
আমার তোমাকে ছাড়া চলবে না।

মাঝে মাঝে মনে হয়
তুমি আমার কেউ না
আমাকে বোঝো না
কথায় কথায় মান
নাকি আমার কাছে তোমার আবদারটা একটু বেশী
আমার প্রতি বেশী ভালোবাসার জন্যই
এত দোষ খুজে পাও বা আমি পাই।

আমি অনেকবার নিজেকে প্রশ্ন করেছি
উত্তর পাইনি
তোমাকেও অনেকবার শুধিয়েছি
কিন্তু তুমি প্রসঙ্গ পাল্টিয়েছো_ _''আহ! বাদ দাও ওসব''।

জেনো রেখো,
আমি তোমাকে ভালোবাসি
ভালোবাসবো;
কোনদিন তার শেষ হবে না
যত দূরেই যাও তুমি আর যত দূরেই যাই আমি।
আমি অধিকারের দাবি নিয়ে আসব না
যদি না তুমি আসো।

তবু তুমি

রাতের হিম শিশিরগুলো আচড়ে পড়ছে আমার জানালার গ্লাসে/
অস্পষ্ট স্বপ্নের ক্রমশ আন্দোলনে ভাঙা ঘুমে তখনো বিভোর তোমাতে/
শুক্লাকাশে যেন দেখা দেয় কার আভা/
তোমার কাছে আসা আবার দূরে যাওয়া /
আমার ভুল তোমার মান /
আমার ক্ষোভ তোমার ভুল/
কাছে আসি দূরে যাই/
দূরে যাও কাছে আসো/
এভাবে আর কতকাল/
তুমি থাকো না আমার শরীরের লোম হয়ে আজীবন/
না হয় আমার নখ হয়ে অথবা আমার চোখের পাতা।
যে কাছে আসায় থাকবে না কোন অভিযোগ/
জাগবে না কোনদিন অভিমান/
শুধু থাকবে ভালোবাসা।

ঊষার অস্ফুট আলোয়
গাছে গাছে যখন পাখির ডাক
মন যখন উড়তে পাখা মেলে
কিন্তু কি যেন ভর করে দেহটার উপর
আমি হয়ে যায় শক্তিহীন।
ভাবি, তোমার

কেন এমন হয়

কেন এমন হয়?
কিসের এত মায়া
তোমার জন্য
কেন মনের মাঝে অস্থিরতা
তোমার জন্য।

যখন দেখি মনে হয় শুধু দেখি
যখন কথা বলি মনে হয় শুধু বলি
আমি বুঝিনা কেন কিভাবে
সৃষ্টি হয়েছে এত টান।

ভালোবাসা নাকি মিছে আশা
তবে কেন মনে জাগে নতুন আশা
হারানো ভয়, তবু পাবার আকাংখা।

মনে পড়ে

চাঁদ জাগা এই রাতে
ঘুমহারা নীরব ক্ষনে
শুধুই মনে পড়ে তোমাকে।।

চাদের আলোতে স্মৃতিরা
বেড়ায় উড়ে মনের এথায়
হারানো প্রেম অশ্রু হয়ে
ঝরে শুধু দু’চোক বেয়ে।।

মনে পড়ে পুরোনো প্রেম
তোমার আমার কত কথা
মনের সবুজ অরণ্য আহা অরণ্য
হয়ে আজ ধূসর জমিন।।

হাওয়া ও মন

হাওয়ায় উড়ে(২) মন
কখন যে কোন হাওয়াতে
উড়ে বেড়ায় কোন আকাশে
তা কে জানে (২) হায়।।

বাধা কোনো মানে নাতো মন
সেতো আপন বেগে ছুটে যায়
কোন ফুলে ধাক্কা লেগে, হয় পাগল
তাকে জানে (২), হায়।।

ভালোবেসে যারে চায় মন
কেনো কখনো তারে পায় না
আমি হায়! মৌসুমী আবেগে
ভেঙেছি আমার মন
তাকে জানে(২) হায়।।

তুমি


তুমি নও কোনো শিল্পীর
        আঁকা ছবি
না তুমি নও কোনো কবির
         চিন্তা কবিতা
তুমি আমার
        আমারই ভালোবাসা
তুমি আমার
        আমারই প্রেম।।

তুমি নও কোনো ফুলের নিরবতা
না তুমি নও চাদেঁর জোছনা
তুমি আমর ভালোবাসার রঙীন আলপনা।।

তুমি নও কোনো থেমে যাওয়া ঝরণা
না তুমি নও কোনো হারানো স্মৃতি
তুমি আমার বুকের মাঝে সবুজ ভালোবাসা।।

প্রথম প্রমের গান

ও প্রিয়া,
রাতের বুকে চাদেঁর ঠিকানা
আমার বুকে তোমার ঠিকানা
চাদেঁর আলোয় আলোকিত রাত
তোমায় পেয়ে ধন্য জীবন
তুমি আমার প্রথম প্রমে
তুমি আমার শেষ ভালোবাসা।।


দিন রাত যাকে ভাবি স্বপনে
সেতো তুমি ছাড়া আর কেহ নয়
মনের মাঝে যাঁর ছবি বাধা
সেতো তুমি ছাড়া অন্য কেউ নয়
সুরের তালে যাকে যাকে বাধি জীবনে
সেতো তুমি ছাড়া আর কেউ নয়।।

জানবে না কেউ-ফজলে রেজওয়ান করিম

অন্ধকারের অমানিশায়
যে কাল পড়েছে ঢাকা
বিবর্তনের লীলাখেলায়
জেনেছে কি কেউ
কি ক্ষত আছে ঐ কালের বুকে;
পাথরের অট্টালিকার নিচে
যে মৃত্তিকা পড়েছে চাপা
জেনেছে কি কেউ
কতটা লাশের শোকে,
কতটা রক্তে, কতটা ঘামে
ভিজে সে সিক্ত।


দুটি অচেনা আত্মার মিলনের বাসর
দেখিছে সবাই আজ
জানে কি কেউ
হয়ত তাদের হারানোর ব্যাথা
কাঁদিছে গুঁমড়ে গুঁমড়ে
লোক চক্ষুর অন্তরালে;
হৃদয়ের যে অতীত ক্ষত
রূপালী ঐ মুখ
বুকের কার্নিশে দেয় দেখা
সবার আড়ালে।
কেটে যাবে হয়তবা
এভাবেই ইহকাল-পরকাল
জানবে না কেউ

বৃষ্টি

অনেকবার ছেয়েছি ভিজতে বৃষ্টিই
জানালা খুলে গিয়েছি
ভেজা গাছের ডালে
বন্ধ দরজার ছিলনা চাবি,
পাইনি তাই তাঁর স্পর্শ
একেছি শুধুই ছবি
লিখেছি শুধুই গিতী
অছোয়া অনুভূতির আবেশে।

মৌসুমী~৩

তুমি যতই আড়ালে রাখো আমাকে
যত দৃশ্যত আর অর্দশ্যত পর্দার আড়ালে
লুকাও না নিজেকে
আমি ভিসুভিয়াসের অগ্নি হয়ে
করবো তার সর্বনাশ।


তুমি যতই দূরে রাখো আমাকে
আমি মেঘ হয়ে রইব
তোমার বাড়ীর আকাশে,
তুমি যতই দূরে রাখো আমাকে
তোমার চলার পথের ধূলো হয়ে
মিশব তোমার চরণে।


তুমি যতই ভূলে থাকতে চাও আমাকে
আমি সাইকেলের বেল হয়ে
সাইরেন বাজাবো অনবরত,
তুমি যতই ভূলে থাকতে চাও আমাকে
আমি বেসুরো গান হয়ে
বলব তোমায় ভালোবাসি।।


তুমি যতই মুছে ফেলো স্মৃতির কাজল
আমি ঘাম হয়ে রইব তোমার দেহে

টান - ফজলে রেজওয়ান করিম

প্রিয়তী, কেন তোমায় খুজে ফিরি
অন্তরে অন্তরে,
তুমিহীনা যে সবই খাখা
বিরহী কাতরে।
চৈত্রের শেষে পাকা ধান
আর মৃত্তিকার সোদা গন্ধ,
কিছুতেই যে জুরায়না মন
তুমি রইলেই যেন চিত্ত স্নিগ্ধ।


খোদা, তুমি এ কোন টান
করেছ দান প্রাণীরে
পিয় পিয় করে পাগল,
মেঘের সাথে মেঘের মিলন
ধরায় বারিষ ঝরে
উবর কাননে তাই ফোটে ফুল
বুঝি সার্থক ক্ষুদ্র জনম।

অন্তরদহন - ফজলে রেজওয়ান করিম

স্বপ্নের আকাশ হয়েছে চুরী
তাই স্বপ্ন দেখা বারণ,
দুঃখের মেঘ গিয়েছে উড়ে
তাই বৃষ্টি নামে না;
কবিতা সব হয়েছে ছন্দহীন
তাই সুর লাগে না,
তুমি আজ কোথায়?
জেনেও খুজি না ।।


তোমার পথের শেষে
আমার পথের শুরু
তাই কি তোমার দৃষ্টি ফেরে না,
তোমার গন্তব্যে আমার অনুস্থান
তাই কি বল প্রেম হবে না ।।

ঐশিকা - ফজলে রেজওয়ান করিম

রাতের মাঝে দেখছ তুমি চাদের লুকোচুরী
ফুলের মাঝে দেখেছ তুমি স্নিগ্ধ প্রিয়তা
দেখেছ কি তুমি কখনো আমার হৃদয়ের ব্যকুলতা
ভেবেছ কি তুমি কখনো তোমায় ভাবে কেউ সারাক্ষন ।।


নীল আকাশের মেঘের ভেলায় যখন তুমি
উদাস চোখে রও চেয়ে তখন
তোমার এলো চুলের মাঝে করে যে খেলা আমার আঙ্গুল,
কবিতা যখন ছন্দ তোলে তোমার কন্ঠ দুত্যিতে
তখন আমি গীটারটাতে মেলায় যে তোমার সুর.
তোমার রাগের স্রোত যখন বিলাবলে করে খেলা
তখন আমি উত্তরাঙ্গে মেলায় সুর বিশুদ্ধে
জানতে কি তুমি তা কখনো ?


মেঘের ডানা ছুয়ে যখন বৃষ্টি ঝরে অবিরল
খোলা রিকশায় ভিজে তুমি খোজ কিসের সুখ?
ভালোবাসার স্বপ্নগুলো যখন উড়ে বাতাসে
তখন তুমি চেয়েছ কি উড়তে তার ডানাতে ?

ক্যাসিয়া ট্রি - ফজলে রেজওয়ান করিম

স্মৃতিগুলো পোড়ায় আমায়
কেঁদে যায় এই মন নিরবতায়
তুমি তা শোননা জানি
ঘোর নিশায় ছেয়ে গেছে
মনের এই ছোট্ট ঘর
তুমি তা জানোনা জানি
অচেনা করলে তুমি চেনা এই আমায়
বেলকনির স্মৃতি ভুলেছে আজ তোমার আকাশ
তাহলে বল জানবে কি করে এই মনের খবর।।


ক্যাসিয়া ট্রিটা হারিয়েছে দৃষ্টিসীমা
তবুও কি তুমি চাও কখনো আনমনে
সেই পানে / জানি উত্তর দেবে না,
মনের গ্রহে আজ দন্দ তোমার
পারলে কি সুখী হতে ভুলে আমায়
জানি উত্তর দেবে না।।


সূ্র্যটা এখনো সেই পথে ঘোরে
বিকেলের ছায়াটাও তেমন
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি এখনো পড়ে
শুধু হাসো না তুমি আগের মতন
অভিলাষের দেওয়ালে তোমার জমেছে শেওলা
জানি তবু ফিরে আসবে না।।

প্রেমের লগণ - ফজলে রেজওয়ান করিম

ঝিরিঝিরি আবেগী হাওয়া
চা‍দনী এই রাতে
তুমি এসো না,
প্রেমেরই পথে হেটে হেটে
রূপালী আলোয়
তুমি এসো না ।।


বিষাদী সব স্মৃতিগুলো
অশ্রু হয়ে ঝরে
তোমারই বিহনে বিষন্নতা ছেয়ে রয়
এই মনে,
আজ এই ক্ষনে - তুমি এসো না ।।


অন্ধকার পথে হেটে হেটে
ক্ষয়েছে মন
তোমারই বিহনে দুঃখের ধূলো জমে
এই মনে,
আজ এই ক্ষনে - তুমি এসো না ।।

মেঘবালিকা~১- ফজলে রেজওয়ান করিম

মেঘের দেশের মেয়ে তুমি
ও ও মেঘবালিকা,
উড়িয়ে তোমার দীঘল চুল
করেছ কৃষ্ণ মেঘের বরন,
ধা-গে-তে-টে
না-গে-ধি-ইন
কাবা ছন্দে বাজিয়ে নূপূর
নেচে যাও অষ্ট তালরে সঙ্গে ।।


তব খোপায় বাধা শিউলী মালা
সুমাত্রা, সিংহল, জাফলং পেরিয়ে
যাও ছড়িয়ে সুবাস
রুমা, কাঞ্চন আর নাফ এলিয়ে
বিস্তৃত মরু অরণ্য আর সাগর ছুয়ে
বঙ্গদেশের তেপান্তরে ।।


দূর পাহারে বনফুল দোলে
তোমারও নৃত্য ছন্দ তালে
মায়া হরিণীর চঞ্চলতায়
বন ফুলের মৌ মহুতায়
নেচে যায় ধরণী তোমার সঙ্গে
বরষার বৃষ্টির অঝর ধারায় ।।

মেঘবালিকা~২- ফজলে রেজওয়ান করিম

মেঘে মেঘে ছেয়েছে আকাশ
কিসের দুঃখে মন উচাটন
ও মেঘবালিকা,
কেন তুমি তাকিয়ে আনমনে
মেঘপানে দৃষ্টি করে উদাস ।।


তোমার জানালা ছোয়া আকাশটা
রোজই কি থাকে একরকম;
কখনো নামে বৃষ্টি,
কখনো হাসে সূযটা
মনটাও যে তেমনই
যোগ বিয়োগের সূত্রে বাধা ।।


ঝিরিঝিরি বাতাসে অন্ধ আবেশে
প্রকৃতি যখন মুক্ত ছন্দ সকাশে
নষ্ট প্রহরের দুঃখ গুনে
কি আর বল লাভ ?
তার চেয়ে চল শ্রাবন ধারায় দাড়িয়ে
মুছে ফেলি বিচ্ছেদের বেদনা;
ওষ্ট কাপা যন্ত্রনার তিয়াস মিটিয়ে
দেখব স্বপ্ন নতুন পিয়াসে ।।

মৌসুমী~৪

আকাশের মাঝে চাঁদ
স্বপ্নের মাঝে রঙ
মৃত্তিকাতে ঘাস
আর,
আমাতে তুমি
এটাই তো স্বাভাবিক, তাই না?


মৌসুমী;
তোমার হৃদয়ে ফুল ঝরে
আবার ফোটে,
কিন্তু আমি তো পারি না তা।
শুকনো ফুলে যে মোর অঙ্কুর আসে না
অবশ্য মরুতে বৃক্ষও জন্মে না
তাই বুঝি এ বেহাল দশা !


আকাশের মাঝে কালো
স্বপ্নের মাঝে ধূসরতা
মৃত্তিকাতে শুকনো ঘাস
আর
তোমাতে অন্য কেউ
কি লীলা বিধির, আমি বুঝি না !

তুমি ও আমি - ফজলে রেজওয়ান করিম

কোন এক বৃষ্টির সকালে
যখন তোমার জানালা ছুয়ে
ঝরছে বৃষ্টিধারা অবিরল
জেনো সেই বৃষ্টির ফোটাতে রয়েছি আমি ।।


যদি কোন বৃষ্টির দুপুরে
ব্যাস্ততা অথবা অবসরে তুমি ভিজছ
তোমার শরীরে ভেজা কাপড়ে
জেনো জল হয়ে আছি আমি ।।


কোন এক কুয়াশার ভোরে
যখন তোমার শাড়ীর আঁচল
যায় ভিজে শিশির কনায়
জেনো সেই বিন্দু কনায় রয়েছি আমি।।


যদি কোন কবিতার স্তোত্র
ছড়ায় মৌনতা তোমার
হৃদয়ের আকুলতায় ব্যাকুল তার ছন্দ
জেনো সেই পংত্তিতে রয়েছে মোর মনমন্ত্র।।

হাওয়া ও তুমি - ফজলে রেজওয়ান করিম

হাওয়ার সাথে খেলো তুমি
হাওয়ায় তুমি মেশো
যায় না ছোয়া হৃদয় তোমার
যায় না ধরা তোমায়……..
দাও না ধরা তুমি
ছোও না এ হৃদয়।।


হাওয়ায় হাওয়ায় মেঘ ভাসিয়ে
বৃষ্টি নামাও দূর গগনে
হাওয়ায় হাওয়ায় মেঘ সরিয়ে
সূর্য হাসাও এই নিখিলে।।


শেষ বিকেলের সন্ধ্যা আলোয়
যখন তুমি বও ঝিরিঝির
তখন আমার নিঃশ্বাসে তোমার
অবাধ আনাগোনা।।